হেলমেট পরে বাইক চালালেও কাটবে ২০০০ টাকার চালান!
বাইক চালানোর সময় অনেকেই পুলিশের ভয়ে মাথায় হেলমেট পরে। আবার অনেকে হেলমেট পরে স্ট্র্যাপ না বেঁধেই রাস্তায় নামে। তবে অনেকেই ধারণা করে যে, মাথায় হেলমেট থাকলেই হয়তো নিয়ম মেনে চলা (Helmet Rules)। কিন্তু বাস্তবে এরকমটা নয়। আপনি যদি হেলমেট পরেও নিয়ম না মানেন, তাহলে ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে।
হেলমেট পড়লেও মানতে হবে এই নিয়ম
মোটর ভেহিকেলস অ্যাক্ট অনুযায়ী, হেলমেট শুধুমাত্র তখনই বৈধ বলে গন্য করা হবে, যখন সেটি ঠিকভাবে মাথায় বসিয়ে স্ট্র্যাপ আটকানো থাকবে। যদি হেলমেটের স্ট্র্যাপ খোলা থাকে বা আলগা থাকে, তাহলে আইনত তা হেলমেট না পরারই সমান। ট্রাফিক চেকিং এর সময় পুলিশ যদি দেখে যে হেলমেটের স্ট্র্যাপ লাগানো নেই, তাহলে মোটর ভেহিকেলস অ্যাক্টের ১৮৪ডি ধারা অনুযায়ী আপনার বিরুদ্ধে চালান কাটা হতে পারে। সেক্ষেত্রে জরিমানার অঙ্ক দাঁড়াতে পারে ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত।
অনেকেই ভাবে, এটি কোনও নতুন নিয়ম। তবে না, এই আইন বহুদিন ধরেই চলছে। শুধুমাত্র সচেতনতার অবহেলার কারণেই অনেকে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় না। আর এই নিয়ম শুধুমাত্র টাকা আদায়ের জন্য নয়, বরং সঙ্গে নিরাপত্তাও জড়িত রয়েছে। কারণ, স্ট্র্যাপ বাধা থাকলে হেলমেট মুহূর্তের মধ্যেই মাথা থেকে খুলে যেতে পারে। তখন হেলমেট পরলেও কোনও উপকারে আসবে না। এমনকি আঘাত লাগার আশঙ্কা বেড়ে যাবে।
বলাবাহুল্য, রাস্তায় বেরোনোর সময় অবশ্যই ISI চিহ্নিত হেলমেট ব্যবহার করুন। কারণ, রাস্তার ধারে বিক্রি হওয়া সস্তার হেলমেট হয়তো চালান থেকে বাঁচাতে পারে। কিন্তু দুর্ঘটনায় জীবন বাঁচাতে পারবে না। এমনকি হেলমেটের সঙ্গে স্ট্র্যাপ ভালো করে আটকে নেওয়ার চেষ্টা করুন। নাহলে পুলিশের কাছে জরিমানা গুনতে হবে।